পোস্টগুলি

কে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব রাখেন?

ছবি
  মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল 🥲 বলছি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের কথা ❤️ যদি জিজ্ঞেস করি কে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব রাখেন? সেই ইতিহাস আমরা অনকেই মনে রাখি নি। ইতিহাসে যিনি আড়ালেই থেকে গেলেন। আসুন একটু জেনে নিই- পাকিস্তান স্বাধীন হয় ১৯৪৭ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই আগস্ট। মাত্র ছয় মাসের মাথায় করাচিতে ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে যিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি তুলেন - “বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা হোক”, সেই মানুষটির নাম ‘ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’।  ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সেই দাবি পাকিস্তান পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হয়। তারপরই ভাষা আন্দোলনের সূচনা ঘটে।  ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘‘পূর্ব পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাংলায় কথা বলে, তাই আমার বিবেচনায় বাংলা হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা।’’ তার এই বক্তব্যকে জিন্নাহর ‘‘উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা’’ ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বলা যায়। সুতরাং তাঁকে ‘...

এক মাতালের ককাহিনী

ছবি
  এক মাতালের  ককাহিনী ** গভীর রাত। প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছে।  কেউ একজন চিৎকার করে বলছে,  এই যে ভাই, কেউ আছেন?  একটু ধাক্কা দেবেন? চিৎকার শুনে ঘুম ভেঙে গেল মিসেস পলির। পলি তাঁর স্বামী সাদেক সাহেবকে ধাক্কা দিয়ে বললেন,  এই যে, শুনছো, কে যেন খুব বিপদে পড়েছে। ঘুমাতুর কণ্ঠে সাদেক সাহেব ললেন , আহ, ঘুমাও তো😫  লোকটার কণ্ঠ শুনে মাতাল মনে হচ্ছে। অভিমানের সুরে বললেন পলি,, মনে আছে সেই রাতের কথা?  সেদিন তোমার কণ্ঠও মাতালের মতোই শোনাচ্ছিল।  সাদেক বললেন, মনে আছে। সে রাতেও প্রচণ্ড বৃষ্টি হচ্ছিল।  তোমার খুব শরীর খারাপ করেছিল।  গাড়িতে করে তোমাকে নিয়ে হাসপাতালে যাচ্ছিলাম।  হঠাৎ গাড়ি বন্ধ হয়ে গেল। সেদিন আমিও চিৎকার করেছিলাম, কেউ আছেন?  একটু ধাক্কা দিয়ে দেবেন? পলি বললেন, মনে আছে তাহলে!  সেদিন যদি তোমার চিৎকার শুনে একটা লোকও এগিয়ে না আসত, কী হতো বলো তো?  আজ অন্যের বিপদে তুমি যাবে না? প্লিজ, একটু গিয়ে দেখো না!  অগত্যা উঠতে হলো সাদেক সাহেবকে।  ভিজে চুপচুপা হয়ে কাদা-পানি মাড়িয়ে এগিয়ে চললেন তিনি শব্দের উৎস লক্ষ্য করে।...

কিছু উক্তি

ছবি
★সমাজকল্যাণ হল এমন এক ক্ষেত্র, যেখানে রাষ্ট্রসমাজ এবং ব্যক্তি প্রত্যেকের ক্ষেত্রেই সুনির্দিষ্ট ভূমিকা ও দায়িত্ব রয়েছে। ★বর্তমানে আমদের মধ্যে প্রায় সকলেই সামাজিক, কিন্তু তাও যেন আমাদের আশেপাশে সামাজিকতার বড় অভাব।  ★আমাদের সমাজে এখন চিন্তাভাবনা ভালো করা উচিত এবং সমাজের সেবা করা উচিত। মানুষের  মানবতা সত্যিকারে  অর্থ মানুষ হাওয়াই হল মানবতা। যে ব্যক্তি নিজের মধ্যে সুখী সে ব্যক্তি তার চেয়ে ভালো জিনিস এবং নিজের সম্পর্কে চিন্তা করে না। এখন আমাদের উচিত সমাজের চিন্তাভাবনা ভালো করে  দরিদ্র মানুষের সাহায্য করা উচিত। ★আনন্দকে ভাগ করলে দুই জিনিস পাওয়া যায় একটি হচ্ছে জ্ঞান ও অপরটি হচ্ছে প্রেম। যেমন কেউ যদি কোন ভুল করে থাকে সেই ভুল থেকে আপনি নতুন কিছু শিখতে পারেন। যদি কোন কাজে ধৈর্য না রাখতে পারেন তাহলে সেই কাজ কখনো ভালোভাবে করতে পারবেন না। ★শিক্ষকের জীবনের থেকে চোর , চোরাচালানী, দারোগার জীবন অনেক আকর্ষণীয়। এই সমাজ শিক্ষক চায়না, চোর চোরচালানি এবং দারোগা চায়।  ★আমাদের সমাজটা এমন যে কোন কারন ছাড়াই আমাদের এখন শাস্তি ভোগ করতে হয়। ভালো মানুষকে কেউ পছন্দ করে না এই সমাজ...

পথে পথে লাশের মিছিল

ছবি
   পথে পথে লাশের মিছিল   মৃত মায়ের বুকের দুধ খাওয়ার চেষ্টা করছিল যে শিশুটি, খুলনার চুকনগর গণহত্যায় বেঁচে যাওয়া সেই শিশুটিই আজকের সুন্দরী দাসী এবং গণমাধ্যমে বারবার আসায় তার কথা আমাদের অনেকেরই জানা আছে। তানভীর মোকাম্মেলের 'জীবনঢুলী' চলচ্চিত্রে চুকনগর গণহত্যার দৃশ্যে অভিনয়ও করেছেন তিনি। সুন্দরীর ভালো নাম রাজকুমারী। নামটি রেখেছিলেন তার পালক মা-বাবা মান্দার দাস ও মালঞ্চ দাসী। রাজকুমারী ওরফে সুন্দরী যেন চুকনগর গণহত্যার প্রতীক হয়ে বেঁচে আছেন। মুক্তিযুদ্ধের আরও অনেক নাম না জানা শহীদের মতো অজানা রয়ে গেছে সুন্দরীর মা-বাবার নাম। তারা কোথা থেকে এসেছিলেন তাও জানা নেই। তবে সীমান্ত অতিক্রম করে যে তারা ভারতে যেতে চেয়েছিলেন, সেটা নিশ্চিত। ভারতীয় সীমান্তের খুব কাছে হওয়ায় মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন স্থান থেকে লোকজন সীমান্ত অতিক্রমের জন্য চুকনগর বাজারে এসে জড়ো হতো বলে জানালেন চুকনগর কলেজের অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম। সেদিনের ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী এবং চুকনগর গণহত্যা '৭১ স্মৃতি রক্ষা পরিষদের সভাপতিও তিনি। ভদ্রা, কাজীবাছা, খড়িয়া, ঘ্যাংরাইল প্রভৃতি নদীপথে এবং কাঁচা রাস্তায় দাকোপ, বটিয়...

"সংসারের ভার"

ছবি
শিরোনাম : "সংসারের ভার" এই নবীন শোন, "কয়েকদিন ধরেই দেখছি তুমি ঠিক পাঁচটা বাজলেই গুদাম থেকে ছুটি করে বাড়ি চলে যাচ্ছো, কি ব্যাপার বল তো? আগে তো রাত আটটা পর্যন্ত গুদামে মাল খালি করার জন্যে গাড়ি আসার অপেক্ষায় বসে থাকতে। এখন থাকছো না কেন? গতকাল একটা গাড়ি এসেছিল, লোক কম থাকায় অনেক রাত হয়ে গেছিল খালি করতে"। নবীন 'গো ডাউনের' মালিক শ্যাম আগরওয়াল বাবুকে বলল, "বাবু, আমার বাড়িতে ছেলেটা বড় হচ্ছে, ক্লাস ওয়ানে পড়ছে, ওর পেছনে খরচ বেড়েছে, পড়াশুনার খরচ, খাবার খরচ সবই তো বেড়েছে, এদিকে জিনিসপত্রের দামও বেড়েছে বাবু, শুধু মাইনের টাকায় সংসার চালাতে পারছি না, দোকানে ধার বেড়েই যাচ্ছে , প্রতি মাসের মাইনেই আর চলছে না, তাছাড়া এখানে সবদিন তো গাড়ি পাঁচটার পর আসে না, তাই বিমল বাবুর নটকোনার দোকানে গিয়ে পাঁচটা থেকে রাত নয়টা পর্যন্ত কাজ করে কিছু বাড়তি আয়ের সুযোগ পেয়েছি বাবু"। শ্যাম বাবু রেগে গিয়ে বললেন, "তাহলে ওই নটকোনার দোকানেই কাজ কর গিয়ে, তোমার জায়গায় আমি অন্য লোক রাখবো"। ভীত সন্ত্রস্ত নবীন বলল, "বাবু আপনার পায়ে ধরছি চাকরি থেকে বের ক...